অবরুদ্ধ সময়ের দিনলিপি পহেলা বৈশাখ ১৪২৭
সারাদিন মোষের মত ঘুমিয়ে দুপুরবেলা চোখ কচলে কচলে যখন ঘুম থেকে উঠলাম ততক্ষণে ভর দুপুরবেলা।ছুটির দিন বলে কথা এতটা না ঘুমালে দিনটার অসম্মানই হয় বটে...😊 আড়মোড়া ভেঙে আরো খানিকক্ষণ গড়াগড়ি খেয়ে লাফ দিয়ে উঠলাম। ভীষণ ভ্যাপসা গরম পড়েছে।চটচটে ঘামে অনেকটা ভিজে গিয়েছে শরীর যদিও মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে।টিনশেড বাসায় দুপুর গড়াতে গড়াতে পাল্লা দিয়ে বাড়ে গরম,তখন ফ্যান না এসি থাকলেও মনেহয় সে একই গরম বাতাসই ছাড়বে। হতাশ চেখে ফ্যানটার দিকে রাজ্যের অভিযোগ নিয়ে অভিমানী চোখে চেয়ে থেকে বিছানা ছাড়লাম।
......
ঘুম থেকে উঠেই শয়তানের বাক্স খুলে বসলাম। টেলিভিশন ও আমার স্বাদের ল্যাপি দুইটাই একসাথে (আম্মুর ভাষায় শয়তানের বাক্স)।বাংলা চ্যানেল গুলোতে প্রতিযোগিতা করে পহেলা বৈশাখের আয়োজন দেখানো হচ্ছে।খবরের চ্যানেল গুলোতে ইতিমধ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও রমনা বটমূলের খবর চলে আসছে।টিভির উপস্থাপিকা লাল শাড়িতে চোখ পিটপিট করে সংবাদ পড়ছে।উপস্থাপিকা সাজুগুজুতে বাঙ্গালী ছাপ পড়ছে।অনেকটা আয়োজন করেই সেজেগুজে হাজির হয়েছেন সংবাদ পড়তে।চারদিকে হইহই রইরই একটা ভাব বেশ বুঝা যাচ্ছে আজকে বিশেষ কোনদিন।
রমনাতে একদল গলা ছেড়ে গাইছে "এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ"..... এসো এসো....
এরা প্রতিবারই কাক ডাকা ভোড় থেকে বৈশাখকে ধরে জোড়াজুড়ি টানাটানি শুরু করে।ভাবখানা এমন বৈশাখের আশার তেমন কোন ইচ্ছে নাই, শুধুমাত্র এদের ডাকাডাকির কারনেই মনরক্ষা করার জন্যই আসা।না আসলে এদের মনে কষ্ট লাগবে।গায়ক দলের মুখভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে আজকে বৈশাখ না এনে এরা ক্ষান্ত হবে না।শুধুমাত্র গায়ক বলা ঠিক হল না,এখানে গায়িকারাও রয়েছেন। বরং গায়কের চেয়ে গায়িকারা সংখ্যায় পরিমানে বেশি,এদের বাদ দিয়ে দিলে পড়ে আবার নারী বিদ্বেষী খেতাব জুটে যেতে পারে।তাছাড়া এরা খুবই সাজুগুজু করে আসছে এদের কে বাদ দেওয়া যায় না।বাদ দিলেই মহাবিপদ।মহাবিপদে পড়ার কোন মানেই হয় না।বরং অল্প বিপদে পড়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
গরমের চোটে বৈশাখের আগমনী গানে মনযোগী হওয়া যাচ্ছিলো না।মনে মনে বলছিলাম আরে গাধার দল বৈশাখ না ডেকে এখন বৈশাখী ঝড়কে ডাক।গরমে জীবনডা ত্যানা ত্যানা হইয়া যাইতেছে।এখন বৈশাখের চেশে বৈশাখী দমকা ঝোড়ো হাওয়াবেশি দরকার।জীবডা তাতে একটু বাঁচে।
........
চারদিকে পহেলা বৈশাখের উৎসবের আমেজ।আশপাশে একটু চোখ বুলালেই সেটা বেশ টের পাওয়া যাচ্ছিলো।সবাই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বাঙ্গালীয়ানার পরিচয় দিতে উঠেপড়ে লেগেছে।যে করেই হোক বাঙ্গালী হতে হবে আজকে।সকালে কাকডাকা ভোরে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ উৎসবে যাওয়ার পরপরই পান্তা ইলিশ,পাঁচ মিশালি ভর্তার সমাহারে ভূরিভোজ করার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীয়ানা প্রমাণের পরীক্ষা শুরু।যেনতেন পরীক্ষা না বেশ কঠিন পরীক্ষা।মোটামুটি মধ্যবিত্তদের বেশিরভাগই এই পরীক্ষায় ফেল করে বসে থাকে।অনেকে আবার টেনেটুনে কিভাবে কিভাবে পাশ করে যায়।এরা গুপ্তবিদ্যা প্রকাশ করে না।পাশ করার থিওরি গুপ্ত থাকাই ভালো।আর সবারই পরীক্ষা পাশ করতে হবে এমন কোন কথা নাই।কেউ কেউ পরীক্ষা ফেল না করলে পরীক্ষাটা ঠিক তেমন জমে না।
বৈশাখী পরীক্ষার আবার বেশ কিছু শক্ত শক্ত কঠিন কঠিন নিয়মও আছে।এই যেমনঃ পান্তা ইলিশ খেতে হবে মাস্ট এবং সেটা অতি অবশ্যই মাটির সানকিতে।আজকে অন্য তৈজসপত্র ব্যবহার করা যাবে না নিষেধ আছে।এতে কম নম্বরে পাশের সম্ভবনা থােকে যায়।অনেকে আবার ফেলও করে বসে।কাকডাকা ভোরে রমনাপার্ক যাওয়া লাগবে,যদি যেতে নাও পারা যায় তবে বাড়ির কাছাকাছি নিকটবর্তী পার্ক/লেকে হলেও একটা চক্কর দিয়ে আসতে হবে।মেয়েদের জন্য আজকে লালপাড় সাদা শাড়ী পড়া অনেকটা বাধ্যতামূলক।
লালা সাদা না হলেও হলুদ, নীল,কালো,বেগুনী,খয়েরী,গোলাপি যেকোন একটা রং ধারন করা লাগবেই।ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবী আবশ্যকীয়।পাঞ্জাবী না পড়লে বৈশাখে ইজ্জত নিয়েই টানাটানি শুরু হতে পারে।খাঁটি বাঙ্গালিয়ানা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।।তাই কোন ঝুঁকি নেওয়া যাবে না।
......
পরীক্ষা অবশ্য আগের রাতের প্রথম প্রহরে ঠিক ঘড়ির কাটা ১২.০১ মিনিটে বাজতেই শুরু হয়।এই সময় ফেসবুকে চেনা অচেনা সবাইকে গনহারে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বিতরণ করা লাগবে এবং সেটা অতি অবশ্যই গুগল অথবা কারো ওয়াল থেকে ধার করা বাঙ্গালি খাবার অথবা শুভেচ্ছা বার্তা সম্বলিত হতে হবে।নিজে মৌলিক কিছু করার মত সময়,ইচ্ছা,ধৈর্য্য কোনটাই নেই কারো।কে করে এত ঝামেলা?যদিও যতদূর জানি বাংলা সনের গননা হয় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সাথে হিসেব করে,কিন্তু কে দেখে এগুলো?যার আগে যে পারে জীবন বাজি রেখে হলেও প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে হবে এটাই হল বড় কথা।টেনেটুনে হলেও পাশ নম্বর তেত্রিশ উঠাতে হবে।না হলে আর ইজ্জত থাকে না বাঙ্গালী সমাজে।এইবারের মত বাঙালীয়ানা পরীক্ষাটায় টেনেটুনে হলেও পাশটা দিতেই হয়।
আমি বরাবরের মতই এবারও লেইট।ছি ছি লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই সবাই বৈশাখ নিয়ে ফেসবুকে বৈশাখী ঝোড়ো স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলছে।ইতিমধ্যেই অনেকের পোস্টে লাইক কমেন্টের বন্য বয়ে যাচ্ছে। ধূর এতটা দেরি আমি কিভাবে করে ফেললাম? এতটা অবাঙ্গালীর মত আচরণ করা যায়?তাড়াতাড়ি গুগল করে দেখে নিতে হবে এবার বাংলা কোন সন আসতেছে।টিভি ও ফেসবুক পোস্টে যদিও দেখা যাচ্ছে বাংলা কোন সন তারপরেও ঝুঁকি নিয়ে কাজ নাই। আগে একটু নিজে নিজে গুগল করে সনটা শিওর হয়ে নেওয়াটা নিরাপদ।
এখন পোলাপান বড্ড বজ্জাত হয়ে গেছে।একটা ভুল কোনরকমে ধরতে পারলেই হল জীবনডা ত্যানা ত্যানা বানায়ে ছাড়বে।তাই সাবধানের মার নাই, আগেই দেখা নেওয়া ভালো।বাংলা সনটা তেমন কোন কাজে আসতে দেখি না।সচারাচর তেমন কোন ব্যবহারও হতে দেখি না।আমার মত আরো অনেকেই শুধুমাত্র বৈশাখী পোস্টে দেওয়ার জন্যই সঠিক সনটা গুগলিং করে নেয়।বৈশাখ আসলে বাংলা সনটা নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়।ভাগ্যিস গুগল ছিলো বলে রক্ষে...!
......
বাসায় পরীক্ষার প্রস্তুতিটা দেখা দরকার।আমি না দেখলে দেখা যাবে সবাই গাঁ ছেড়ে দিয়ে বসে আছে।পরে ফেল করে বসে থাকলে বিরাট লজ্জায় পড়তে হবে।দেখা যাক কি হচ্ছে।
আম্মু জননী জন্মভূমি কি করতাছে দেখার জন্য রওনা হলাম।ইলিশ ভাজার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। হুম প্রস্তুতি ভালো চলতাছে মনে হয়।বোয়াল মাছের পেটির মত তেলতেলা একটা হাসি দিয়া আম্মুরে শুধাইলাম কি কি রন্ধন করিচ্ছো মাতা শ্রী?শর্ষে ইলিশটা কি হচ্ছে? আর বেগুন ভর্তা, টমেটোর টক ও চাকা করে আলু ভাজি ঐটার কি হল?চ্যাপা ভর্তাটা কিন্তু ভুলে যেও না।খিচুড়ি কি ভুনা করবা নাকি ল্যাডা?সবজি দিছো?সবজি না দিলেও হয় তবে ভাগারটা ভালো করে দিয়ো।বেশি কিছু রান্না করার দরকার নাই। গরমের কারনে আমি এখন তেমন খেতে পারি না।তুমি তাড়াতাড়ি রান্না শেষ করো আমি আছি কোন তাড়াহুড়ো নাই।
এতক্ষন কিছুই না বললেও এখন আম্মু যে চাহনি দিলো তাতেই মোটামুটি পেট অর্ধেক ভইরা গেছে।হায়রে জীবন!!! এভাবে আর কত অত্যাচার সইতে হবে কে জানে।হলিউডের জোম্বি মুভির জোম্বি গুলোর মত একটা চাহনি দিলো আমার মাতা শ্রী জননী জন্মভূমি।
আম্মু বললেন পোলাও আর ইলিশ ভাজা খাবি।দোপেয়াজা করছি ইলিশ।আর কিছুই হবে না।আমি হতাশ পরাজিত সৈনিকের মত চেয়ে থাকলাম জননীর দিকে।পান্তা বা খিচুড়ি ইলিশের বদলে পোলাও ইলিশ? শেইম অন ইউ মম শেইম বিড়বিড় করলাম খানিকক্ষণ।আম্মু ঘেউ করে উঠলো কি কছ তুই?আর থাকা নিরাপদ মনে হল না।তাড়াতাড়ি চলে এসে বসলাম ফেবুতে।যথেষ্ট দেরি করে ফেললাম আর দেরি করা যায় না।এক্ষুনি স্ট্যাটাসটা দিয়ে দেওয়া দরকার।
.......
পরীক্ষার সবচেয়ে কঠিন ও শেষ ধাপ হল দিনশেষ ফেসবুকে খুব সুক্ষ বাছাই পর্বশেষে এডিট করা ছবি আপলোড করা।এটাই সবচেয়ে কঠিন ধাপ।এই ধাপে উনিশ বিশ হলেই নিশ্চিত পরীক্ষায় ফেল।সারাদিনের সব পরিশ্রমই পন্ড শ্রম হয়ে যাবে। সুতরাং পরীক্ষার এই ধাপে এসে কোন ঝুঁকি নেওয়া চলবে না।তবে এবার পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছু কিছু রদবদল হবে বলে শোনা যাচ্ছে,যদিও এখনও কি কি পরিবর্তন আসছে তা জানা যায়নি। সবাই উদ্বেগ উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছে সিলেবাসে কি কি পরিবর্তন আসছে তা দেখার জন্য।
ভোরে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ উৎসবে যাওয়া,মাটির সানকিতে পান্তা-ইলিশ খাওয়া,মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ,বাঙ্গালী সাজসজ্জা শাড়ি,লুঙ্গি,ধুতি ফতুয়া পরিধান করা,বাঙ্গালী সাজে সজ্জিত হয়ে ফেসবুকে ছবি আপলোড করার মধ্যে দিয়েই পরীক্ষায় পাশ ফেল নির্ধারিত হবে।
বরাবরের মতই আমি এবারও বাঙ্গালী ভোজন পর্ব সমাপ্ত করে দুপুরে একটা ভাত ঘুম দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। খাওয়া মাত্রই ঘুম।বিছানায় গিয়ে গড়াগড়ি খাওয়ার কোন মানে হয় না।খাবো গিয়ে বিছানায় শোবো শুইয়ে ঘুম।এর ব্যাতিক্রম কোন কাজের কথা না।ঘুমের রাজ্য পৃথিবী গদ্যময়।লাইনটা মনে হয় ছিলো ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময়।ঘুম দিয়া অদলবদল করে নিলাম আরকি।
.......
আগের দিনেই ওয়েদার ফোরকাস্টে দেখেছিলাম বছরের প্রথম দিন বৃষ্টির সম্ভবনা আছে।প্রচন্ড গরমে হাসফাঁস করতে করতে সারাদিন উকিঝুঁকি মারছিলাম আকাশ পানে যদি মেঘের দেখা পাওয়া যায়।বিধিবাম মেঘতো দূরের কথা মেঘের ছিটেফোঁটাও ছিলো না আকাশে,বরং আগুন ঝরছিলো ধরাতলে।রৌদ্রের আক্রোশ দেখে ঘর থেকে বের হবার ইচ্ছেটাই উবে গেলো।যদিও আমি সহজে গর্ত ছেড়ে বাহির হইনা।
তবে প্রতিবারই ইচ্ছে করে বৈশাখের উৎসব আমেজে ঘুরাঘুরি করতে।হয়ে উঠে না কোনবারই। "আলস্য তুমি মোরে করেছো মহান করো নাই ঘুরাঘুরি করার মত বলে বলীয়ান বলবান"।
যাইহোক টিভির পর্দায় বৈশাখী গানের আহ্বানে গুন গুন করছি আপাতত
"এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।
তাপস নিশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥
যাক পুরাতন স্মৃতি,যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক॥
![]() |
| বেলা শেষে...... |
.......
বিঃদ্রঃ লেখাটা গত দুই বছর আগে ২০১৮ সালে লেখা বৈশাখের পরদিন।আলসেমি করে করে শেষ করিনাই আর পোস্টও করা হয়নি।সবকিছু ঠিকঠাক আগের মত হলে হয়তো এবারের বৈশাখটাও হতে পারতো উপরোক্ত লেখার মতই।আগের প্রতিবার এমনই ছিলো বৈশাখ।এবারে ব্যাতিক্রম।
বিশ্বব্যাপী নোভেল করোনা ভাইরাসের মহামারীর মধ্যেই এলো এবারের বৈশাখ।ব্যাতিক্রমী এক বৈশাখ এবারে পালন করছে বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বব্যাপী বাঙ্গালীরা।
পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব।আপামর জনসাধারণের প্রাণের উৎসব।অনেকটা ব্যাতিক্রম ভাবে ঘরে আবদ্ধ থেকেই নিতান্তই অনিচ্ছায় ঘরবন্দী হয়ে পালন করতে হচ্ছে এবারের বৈশাখ।চিরচেনা রমনার বটমূল,বৈশাখের আহ্বান করে ছায়ানটের বৈশাখী সংগীত আয়োজন,চারুকলার মঙ্গলোৎসব মঙ্গল শোভাযাত্রা,টিএসসির লোকসমাগম,ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরের বৈশাখীর আয়োজন কিছুই নাই এবারের বৈশাখে।তারপরেও বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে এসেছে পহেলা বৈশাখ। আশায় বুকবেঁধে আগামীর করোনা ভাইরাস মুক্ত মঙ্গলময় দিনের কামনায় এইবারের বৈশাখ উদযাপন।আশাকরি আবারও সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে শীঘ্রই। মুক্ত বাতাসে প্রাণ ভরে বন্ধনহীন জীবনে প্রশান্তির শ্বাস নেবে সবাই। সেই পর্যন্ত সবাইকে একসাথে একত্রে ঘরে থেকে নিজেকে,নিজের পরিবারকে,নিজের প্রিয়জনকে,প্রিয় চিরচেনা মুখরিত এলাকাকে এবং সর্বোপরি নিজের প্রিয় জন্মভূমিকে নোভেল করোনা ভাইরাসের আগ্রাসী সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর গুরু দায়িত্ব পালন করে যাবো সবাই।
নববর্ষের নবরূপ রাঙিয়ে দিক জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত।সুন্দর সমৃদ্ধ হোক আগামীর দিনগুলো। সবাইকে বাংলা নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। শুভবাংলা নববর্ষ ১৪২৭
অবরুদ্ধ সময়ের দিনলিপি
পহেলা বৈশাখ ১৪২৭
ঝাউচর,পশ্চিম হাজারীবাগ
১৪ এপ্রিল,২০২০।মঙ্গলবার
অপরাহ্ন ২.২০ মিনিট।

Comments
Post a Comment